ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিডিও বার্তায় যা বললেন আরাকান আর্মি নেতা (ভিডিও সহ)
Product Description
রাঙামাটিতে মিয়ানমারের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সংগঠন আরাকান আর্মির পলাতক নেতা ডা. রান নিন সো মার্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। অজ্ঞাত স্থান থেকে তিনি ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন। সোমবার ওই ভিডিওতে তিনি বলেছেন- ‘নিজেকে প্রশ্ন করছি আমি, কী এমন ভুল করে ফেলেছি যে সমস্ত সংবাদপত্রে আমাকে একজন খারাপ মানুষ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে? আমি মানুষকে বিনাপয়সায় চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। এটি কি মানবতার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ? আমি বহু মানুষকে বিনাপয়সা ওষুধ দিয়েছি। এটি কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ? স্থানীয় মানুষেরা আমার কাছ থেকে খাবার, ওষুধ, কাপড় কতো কিছুই তো পেয়েছে। এসব কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ? কী অপরাধ করেছি আমি? মানুষকে সাহায্য করা অপরাধ?’ রাঙামাটিতে মিয়ানমারের ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ সংগঠন আরাকান আর্মির পলাতক নেতা ডা. রান নিন সো মার্মা একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেছেন। অজ্ঞাত স্থান থেকে তিনি ভিডিওটি প্রকাশ করেছেন। সোমবার ওই ভিডিওতে তিনি বলেছেন- ‘নিজেকে প্রশ্ন করছি আমি, কী এমন ভুল করে ফেলেছি যে সমস্ত সংবাদপত্রে আমাকে একজন খারাপ মানুষ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে? আমি মানুষকে বিনাপয়সায় চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। এটি কি মানবতার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ? আমি বহু মানুষকে বিনাপয়সা ওষুধ দিয়েছি। এটি কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ? স্থানীয় মানুষেরা আমার কাছ থেকে খাবার, ওষুধ, কাপড় কতো কিছুই তো পেয়েছে। এসব কি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ? কী অপরাধ করেছি আমি? মানুষকে সাহায্য করা অপরাধ?’ তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘কেন সেনাবাহিনী আমার ঘর ভেঙে ঢুকে পড়লো রাতে? কেন আমার পারিবারিক সম্পদ কেড়ে নেয়া হলো? ল্যাপটপটি আমি আর আমার মেয়ে ব্যবহার করতাম। ওই তিনটি মোটরসাইকেল আমি এবং আমার কর্মচারীরা চিকিৎসা সেবার কাজে, মানবসেবার কাজে ব্যবহার করতাম। কেন তারা পাঁচ লাখ টানা নিয়ে গেলো? ওগুলো আমার ওষুধ কেনার টাকা ছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কি এটা ভালো কাজ করেছে?’ নিজেকে সমাজসেব উল্লেখ করে রান নিন সো বলেন, ‘আমি তো ডাক্তার, স্থানীয়দের চিকিৎসা করি। আমি কি কোনো অপরাধ করি? আমি তো বিশ্বাস করি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে প্রত্যেককে সাহায্য করার অধিকার আমার আছে। আমার দান করা ঘোড়াগুলো যে বিজিবি এবং আরাকান আর্মির সংঘর্ষের কারণ হয়েছে, তা দেখে খুব কষ্ট পেয়েছি। ওই ১৩টি ঘোড়া আমরা অনুদান হিসেবে দিয়েছিলাম, মানবিক কাজে যাতায়াতের সুবিধার জন্য। আমার এই অনুদান যদি বিজিবির কাছে অবৈধ বলে গণ্য হয়ে থাকে, তো ক্ষমা চাইছি।’ তিনি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারকে আমি আন্তরিক অনুরোধ জানাই— (১) আমার কর্মচারী এবং রোগীদের নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হোক। (২) আমার বাড়ি থেকে সেনা-প্রহরা তুলে নেয়া হোক। (৩) আমার বাড়ি থেকে কেড়ে নেয়া সকল সম্পত্তি ফিরিয়ে দেয়া হোক।’
0 Reviews:
Post Your Review